April 20, 2026, 3:15 am

মাদকের জোরে ভাসছে সানারপাড়

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড়ে। মাদকের ভয়াল থাবায় ভাসছে ওই এলাকার অলিগলি। মাঝে মাঝে প্রশাসন ধরপাকড় করলেও মাদক ব্যবসায়ীরা ফের এলাকায় এসে পূর্বের রুপ ধারণ করছেন। শুধু মাদক বিক্রিই নয়। তারা মানুষের সাথে প্রতারণা করে ব্ল্যাকমেলিং করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। দিনের পর দিন মাদকের সয়লাবে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানাযায়, সানারপাড় বাইতুন নূর মসজিদের পিছনের গলিতে মৃত সাত্তার কাজীর ভাড়া বাসায় থাকেন মৃত নেওয়াজ আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন ও তার স্ত্রী শাহিনূর আক্তার। এই দম্প্রত্তির বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ ও ডেমরা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। মাঝে মাঝে প্রশাসন গ্রেফতার করলেও জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আবারো ফিরে যায় আগের রুপে। বিএনপি ও জামায়াতের সক্রিয়কর্মী আলমগীর হোসেন ও তার স্ত্রী শাহিনূর আক্তার মাদক ব্যবসাই নয়। সানাপাড় এলাকার ব্যবসায়ী ভুক্তভোগী শামসুদ্দিন সামসু জানান এই চক্রটি আমাকে ফাঁদে ফেলে নি:স্ব করে ফেলেছেন।। অবিলম্বে আলমগীর ও তার স্ত্রী শাহিনূর আক্তারদের শেল্টারদাতাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। ভুক্তভোগী সেলিনা আক্তার জানান, আমার স্বামীকে ব্লাকমেইলিং করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় মক্ষীরানী শাহিনূর আক্তার। এই চক্রটির থেকে বাঁচার জন্য বিচার শালিশী করেও তাদের হাত থেকে রক্ষা পাই নি। আল্লাহ তায়ালার কাছে বিচার দিয়েছি। আলী মিয়া নামে এক ব্যক্তি জানান, আমার ছেলের জীবন নষ্ট করে দিয়েছে মাদক সম্রাজ্ঞী শাহিনূর আক্তার। আমি এর ন্যায় বিচায় চাই। তাদের গ্রেফতার করে সানারপাড়বাসীকে মাদক ও ব্লাকমেইলিং থেকে বাঁচতে নারায়ণঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল কথা হলে তিনি জানান, আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে বিএনপি জামায়াতের জালাও পোড়াও নাশকতার একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া সে ও তার স্ত্রী শাহিনুর আক্তার এলাকায় চিহিৃত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে শিগ্রই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক লে:কর্ণেল তানভীর মাহমুদ পাশা জানান, জামায়াত শিবির ও বিএনপি এবং মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে কখনো আপোশ করা যাবে না। তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রদান করা হবে।

   

 

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা